আমার স্বামী আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে!
: কী রকম?
: বিয়ের আগে সে বলেছিল, তার বয়স ৯০, স্বাস্থ্য খারাপ আর সে কোটিপতি।
: সে কি কোটিপতি নয়?
: অবশ্যই কোটিপতি কিন্তু বয়স ৬০ এবং স্বাস্থ্য যথেষ্ট ভালো।
২-
সারাটা জীবন একা একাই কাটাবে? ভেবে দ্যাখো, তুমি যখন মরণশয্যায়, তখন তোমার মুখে পানি দেওয়ার মতো কেউ থাকবে না।
কোনো প্রতিযুক্তি দেখাতে না পেরে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেল লোকটা।
অনেক বছর পরের কথা। দীর্ঘ সংসারজীবন যাপনের পর লোকটি বৃদ্ধ অবস্থায় শুয়ে আছে মৃত্যুর অপেক্ষায়। তাকে ঘিরে আছে তার স্ত্রী, পুত্র-কন্যা। শুয়ে শুয়ে সে ভাবছে:
কেন যে বিয়ে করেছিলাম! পানি খেতে ইচ্ছে করছে না তো!
৩-বিয়ের কঠিন সময়
একটি মেয়ের সবেমাত্র বাগদান হয়েছে।
তাঁর অফিসের এক বিবাহিত মহিলা এলেন তাঁকে উপদেশ দিতে।
শোনো, বিয়ের পর প্রথম ১০ বছরই সবচেয়ে কঠিন।
মহিলা বললেন, আপনার বিয়ে হয়েছে কত দিন?
৪-
গাধা রেগে বলল, ‘এই বনে আজ আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ে। আমি নাচবো না তো নাচবেটা কে, শুনি?’
বাঁদর আবারও প্রশ্ন করল, ‘বাঘ আবার কবে থেকে তোমার ভাই হলো?’
‘আরে বাঁদর, বিয়ের আগে আমিও বাঘ ছিলাম। বাঘের ক্ষেত্রেও তো একই ঘটনা ঘটবে। তাহলে সে তো আমার ভাই-ই হবে, নাকি?’—গাধার উত্তর।
৫-বিয়ের প্রস্তাব
বুনো পশ্চিম। এক মেয়ে বলছে তার মাকে, মা, ডার্টি বিলি আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে।
—সে তোমাকে সরাসরি বলেছে এ কথা? মা প্রশ্ন করলেন।
—না, তা বলেনি, তবে ইঙ্গিত দিয়েছে। নিজের বউকে সে ইতিমধ্যে গুলি করে মেরে ফেলেছে।
৬-বিয়ে হয়ে গেছে
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
প্রথম বন্ধু: জানিস, আমার আর লিজার বিয়ে হয়ে গেছে।
দ্বিতীয় বন্ধু: তাই নাকি রে! আগে তো বলিসনি। এত দিন প্রেম করলি। তা কবে তোদের বিয়ে হলো?
প্রথম বন্ধু: আমার বিয়েটা হয়েছে এ মাসের ১৬ তারিখ। আর লিজার ২৫ তারিখ।
৭-ই-মেইলে বিয়ে
এক মার্কিন ও এক ভারতীয়র মধ্যে বিয়ে নিয়ে কথা হচ্ছে—
মার্কিন: জানো, আমাদের দেশে বিয়ে ই-মেইলে হয়।
ভারতীয়: বাহ্, খুব ভালো তো। কিন্তু আমাদের দেশে বিয়েটা শুধু ফিমেলের (নারী) সঙ্গেই হয়।
৮-
বউয়ের বড় ভাইয়ের কান্না দেখে হাবলুও কেঁদে কেঁদে বলল, ‘ভাই, আপনি কোনো চিন্তা করবেন না। আপনি তো আমার বড় ভাইয়ের মতো। আপনার বোন মানে আমারও বোন। ও খুব ভালোই থাকবে।’
৯-
মা বিল্টুকে বললেন, ‘সাদা পোশাক হচ্ছে সুখের প্রতীক, আর আজ বউয়ের জীবনের সবচেয়ে সুখের দিন, তাই সে সাদা পোশাক পরেছে।’
একটু ভেবে বিল্টু আবারও তার মাকে জিজ্ঞেস করল, ‘হুমম বুঝলাম। কিন্তু বর কেন কালো পোশাক পরেছে?’
১০-ঘটা করে বিয়ে আর প্রেম করে বিয়ের মধ্যে পার্থক্য
দুই বন্ধু রঞ্জু আর সঞ্জুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
রঞ্জু: বল তো, ঘটা করে বিয়ে আর প্রেম করে বিয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?
সঞ্জু: এটা তো খুবই সোজা।
রঞ্জু: আহা বল না।
সঞ্জু: শোন, পার্থক্যটা খুবই সাধারণ। প্রেম করে বিয়ে করলে নিজের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে হয়, আর ঘটা করে বিয়েতে অন্যের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে হয়।
১১-
মহিলাটি রেগে বললেন, ‘চিনি না, জানি না, আপনার সঙ্গে কথা বলব কেন?’
তপু ভদ্রভাবে মহিলাকে বলল, ‘বাজারের মধ্যে আমার স্ত্রী হারিয়ে গেছে তো!’
মহিলা এবার রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে বললেন, ‘আপনি তো আচ্ছা মানুষ দেখছি। আপনার স্ত্রী হারিয়েছে, তাতে আমার সঙ্গে কথা বলার কী সম্পর্ক?’
‘না মানে, অন্য কোনো মহিলার সঙ্গে কথা বলতে দেখলেই আমার স্ত্রী রেগে আবারও আমার কাছে ফিরে আসবে কি না!’
১২-সাহস
: বিশ্বাস করবে না হয়তে। কিন্তু সত্যি বলছি কাজী সাহেব যখন বিয়ের কলেমা পড়াচ্ছিলেন তখনই সাবের মজলিশ থেকে ছুটে পালিয়ে গেল।
: কেন, শেষ মুহুর্তে সাহস হারিয়ে ফেলেছিল বুঝি?
: না, সাহস ফিরে পেয়েছিল।
১৩-
এ কথা শুনেই ওই ভদ্রলোক নিজেকে সুখী দম্পতি হিসেবে দাবি করে বলেছিলেন, ‘আমরা সপ্তাহে দুই দিন নিয়ম করেই রেস্তোরাঁয় যাই। সেখানে রাতের খাবারের পর গান শুনে হাঁটতে হাঁটতে বাসায় ফিরি। বল এটা কি সুখী দম্পতির বৈশিষ্ট্য নয়?’
বন্ধুটি কৌতুহল নিয়ে বললেন, ‘তা তোমরা কবে কবে রেস্তোরাঁয় যাও?’
‘আমি রেস্তোরাঁয় যাই বুধবার আর আমার স্ত্রী যায় শুক্রবার’—ভদ্রলোকের জবাব।
১৪-
ওই তরুণী বললেন, ‘আমি যে পুরুষকে বিয়ে করব, তাকে অবশ্যই একটি বড় প্রতিষ্ঠানের কেউ হতে হবে। তাকে গান জানতে হবে, মজার মজার গল্প জানতে হবে এবং অবশ্যই রাতে বাসায় থাকতে হবে।’
এ কথা শুনেই পাশ থেকে এক বান্ধবী ফোড়ন কাটলেন, ‘তুমি একটা টেলিভিশনকেই বিয়ে করে ফেল না কেন!’
১৫-
‘আর আমি? আমার দিকটা কেউ ভাবে না ! আমাকে যে এটা বাগানোর জন্য ওই নির্বোধটার সঙ্গে দুই মাস একনাগাড়ে ডেট করতে হয়েছে …’ মহিলাটিও চিৎকার করে আত্মপক্ষ সমর্থন করল।
১৬-
: যেমন ?
: এই ধর রোজ সন্ধ্যার পর ক্লাবে যাওয়া বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে অহেতুক আড্ডা, সিগারেট খাওয়া, রাতে নাক ডাকা, বোকার মতো টাকা খরচ করা, খামাখা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া …কী পারবে এসব ত্যাগ করতে?
: দেখি ভেবে দেখতে হবে।
পরদিন আবার দু’জনের দেখা।
: কী ভেবেছ ?
: আসলে একবারে তো আর সব কিছু ত্যাগ করা যায় না … একটু একটু করে আর কি। যেমন প্রথমত একটা জিনিস ত্যাগ করেছি।
: কী ?
: ইয়ে মানে…আপাতত বিয়ের চিন্তাটা।
১৭-দিনগুলো ছিল বড় সুখের
দুই বন্ধু গল্প করছে।
: বিয়ের পরের দিনগুলো ছিল বড় সুখের।
: কী রকম?
: অফিস থেকে বাড়ি ফিরতেই আমার ছোট কুকুরটা চেঁচামেচি জুড়ে দিত আর তার পেছন-পেছন হাসিমুখে আসত আমার স্ত্রী। তার হাতে থাকত আমার চটি-জুতা।
: আর আজকাল?
: আজকাল বাড়ি ফিরলে চটি-জুতো মুখে করে আনে কুকুরটা আর পেছনে চেঁচাতে-চেঁচাতে আসে আমার স্ত্রী।
১৮-বিয়ে ও ডিভোর্সের কারণ
আসাদঃ আমি বিয়ে করলাম কেন, জানিস?
সাগরঃ কেন রে?
আসাদঃ আরে! রান্নাবান্না, জামাকাপড় কাচা, বাড়িঘর পরিষ্কার করা, বাজার করা···উফ! এত কাজ আর একলা করতে পারছিলাম না, তাই বিয়ে করে নিলাম।
সাগরঃ দারুণ! তুই কি জানিস এই একই কারণে আমার ডিভোর্স হয়েছে?
১৯-কাকে বিয়ে করেছেন
দুই ব্যক্তির মধ্যে কথা হচ্ছে-
১ম ব্যক্তিঃ ভাই, আপনি বিয়ে করেছেন?
২য় ব্যক্তিঃ হ্যাঁ।
১ম ব্যক্তিঃ কাকে?
২য় ব্যক্তিঃ একটা মেয়েকে।
১ম ব্যক্তিঃ কেউ কি ছেলেকে বিয়ে করে?
২য় ব্যক্তিঃ হ্যাঁ, করে। গত বছর আমার বোন একটা ছেলেকে বিয়ে করেছিল।
২০-বিয়েটা কেমন
১ম বন্ধুঃ বিয়েটা কেমন জানিস?
২য় বন্ধুঃ নাহ্, কেমন?
১ম বন্ধুঃ এটা হচ্ছে ধর, রেস্টুরেন্টে গিয়ে তুই অর্ডার দিবি একটা খাবার, ওটা তোর টেবিলেও আসবে। কিন্তু ওটা মুখে দিয়েই তোর নজর চলে যাবে পাশের টেবিলের ভদ্রলোকের প্লেটের দিকে। তোর শুধু মনে হতে থাকবে, ওটাই তোর অর্ডার দেওয়া উচিত ছিল।
২১-
: অবশ্যই, কারণ একা আমিই কেন ভুক্তভোগী হতে যাব।
: আচ্ছা, তুমি কি এই ভ্যালেন্টাইনস ডেতে আমাকে এনগেজমেন্টের আগেই একটা রিং দেবে?
: অবশ্যই। তোমার ফোন নম্বরটা দাও, আমি প্রতিদিনই একটা করে রিং দেব।
: আমি স্বপ্ন দেখলাম, তুমি ভ্যালেন্টাইনস ডেতে আমাকে একটা হীরের নেকলেস দিচ্ছ। তুমি কি আমাকে কোনো গিফট দেবে?
: অবশ্যই। তোমাকে স্বপ্নের মানে জানার জন্য একটা ‘খাবনামা’ দেব।
: আচ্ছা, তুমি কি আমাকেই প্রথম ভালোবাসার কথা বলেছ?
: অবশ্যই। আচ্ছা, বল তো তোমরা সব ছেলেই এই কথাটা বলো কেন?
: এই শোন, ভ্যালেন্টাইনস ডেতে কথা দাও, আজ থেকে তুমি আমার আত্মীয়দের ভালোবাসবে।
: অবশ্যই। দেখ, ইন ফ্যাক্ট আমি কিন্তু তোমার শাশুড়িকে আমার শাশুড়ির চেয়ে বেশি ভালোবাসি।
: প্রথমে এনগেজমেন্ট রিং, তারপর ওয়েডিং রিং, তারপর কী?
: তারপর অবশ্যই সাফারিং।
গুরু
২২-
– যখন কোনো নববিবাহিত দম্পতি হাসে তখন সবাই বোঝে-কেন?
আর যখন ১০ বছরের পুরোনো দম্পতি হাসে তখন সবাই ভাবে-কেন?
– মেয়েদের সম্পর্কে বিবাহিতদের চেয়ে ব্যাচেলররাই বেশি জানে। যদি না-ই জানত তাহলে সে আর ব্যাচেলর থাকত না।
– একটি শান্তিপূর্ণ বিবাহিত জীবনের অন্যতম শর্ত হচ্ছে বারবার প্রেমে পড়া। কিন্তু অবশ্যই তা কেবল নিজের স্ত্রীর প্রেমে।
– এক ভদ্রলোক খুব গর্ব করে নিজের স্ত্রীর কথা বলছেন, ‘জানিস, যতই ঝগড়া হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত আমার স্ত্রী আমার কথাই মেনে নেয়।’ অন্য ভদ্রলোক বেশ বিমর্ষভাবে বললেন, ‘তুই তো তাহলে অনেক ভাগ্যবান। তা কেমন করে এমন অসাধ্য সাধন করিস?’ এবার প্রথম ভদ্রলোক বললেন, ‘ঝগড়ার শেষে আমি বলি, সব দোষ আমার। আর ও অকপটে আমার কথা মেনে নেয়।’
– ভালোবাসা অন্ধ। আর ‘বিয়ে’ ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে যাওয়া চোখ সহজেই খুলে দেয়। কাজেই অন্ধ চোখ খুলতে শিগগিরই বিয়ে করুন।
– বিয়ে হচ্ছে দুজন মানুষের মধ্যকার এমন এক সম্পর্ক যেখানে একজন সদা সর্বদা সঠিক আর অন্যজন হচ্ছে স্বামী।
– স্বামী তার স্ত্রীকে বলছে, ‘তুমি বিয়ের আংটি ভুল আঙ্গুলে পরেছ কেন?’ জবাবে স্ত্রী বলল, ‘কারণ আমি ভুল মানুষকে বিয়ে করেছি।’
– যখন কোনো স্বামী তার স্ত্রীর জন্য গাড়ির দরজা খুলে দেয় তখন এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়, হয় গাড়িটি নতুন না হয় স্ত্রী!
– বিয়ের আগে প্রেমিকা কী বলেছিল তাই ভাবতে ভাবতে সারা রাত নিঘুêম কেটে যেত।
আর বিয়ের পর স্ত্রী কী বলছে তা শেষ করার আগেই ঘুম চলে আসে।
– অবিবাহিতদের ট্যাক্স বেশি দেওয়া উচিত, কারণ তারা বিবাহিতদের চেয়ে উন্নততর জীবন যাপন করে।
– স্বামী-স্ত্রী দুজন একটি ইচ্ছাপূরণ নদীর সামনে এসে দাঁড়াল। প্রথমে স্ত্রী মনে মনে কিছু একটা চাইল। তারপর একটি পাঁচ টাকার কয়েন পানিতে ফেলে দিল। পরে তার স্বামী কয়েন ফেলতে গিয়ে পা পিছলে নিজেই পানিতে পড়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রী চিৎকার দিয়ে বলল, ‘ওয়াও! এখানে দেখি সত্যি সত্যি ইচ্ছা পূরণ হয়!!’
– মাতৃভাষা বলা হয় কিন্তু পিতৃভাষা কেন বলা হয় না জানেন? কারণ পিতা কদাচিৎই কথা বলার সুযোগ পায়।
– আপনি যতই চাকরি বদলান না কেন, শেষ দিন পর্যন্ত আপনাকে আসলে একই বসের অধীনে কাজ করতে হয়। বুঝতে পারছেন তো?
– স্বামী তার রাগান্বিত স্ত্রীকে বলছে, ‘আমাকে অপবাদ দিয়ো না! আমি তোমার আত্মীয়দের অবহেলা করি-এ কথা একদম ঠিক না। যেমন ধরো, তোমার শাশুড়ি, তাকে তো আমি আমার নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসি।’
– লটারির প্রথম পুরস্কার জিতে স্ত্রী স্বামীকে বলল, ‘তোমার কাপড়চোপড় প্যাক করো।’ স্বামী খুশি খুশি মনে বলল, ‘কোথায় ঘুরতে যাবে, শীতের কাপড় বেশি নেব নাকি গরমের?’ স্ত্রী ধমক দিয়ে বলল, ‘সব কাপড় প্যাক করো, আমি কোথাও যাব না; তোমার সব কাপড়চোপড় নিয়ে তুমি ভাগো।’
– মহা ভুল করার পরও কখন মানুষ অভিনন্দন পায় জানেন? যখন সে বিয়ে করে।
– পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট বই কোনটি জানেন? সেই বইয়ের নাম হচ্ছে-ছেলেরা মেয়েদের যতটা চেনে।
– আপনি আপনার মনের কথা অকপটে বলতে পারবেন, আপনার স্ত্রী আপনার কথার মধ্যে কোনো প্রকারের ডিস্টার্ব করবে না-এমন সুযোগ চান? তাহলে উনি ঘুমালে আপনার যা বলার বলুন।
– বিয়ের আগে ছেলেরা পূর্ণতা পায় না, অসমাপ্ত থাকে, আর বিয়ের পর পুরোপুরি সমাপ্ত হয়ে যায়।
২৩-হাসার সুযোগ
মেয়ের বিয়ের জন্য ছেলে দেখছেন মা-বাবা।
মা : দেখ, ছেলেটির যত গুণই তুমি দেখ, ওর মাঢ়ীটা কিন্তু ভালোনা। হাসলে কালো মাঢ়ীটা বেরিয়ে কেমন বিশ্রী দেখায়।
বাবা : সে জন্য ভেব না। তোমার মেয়েকে বিয়ে করলে এই ছেলে হাসার কোন সুযোগই পাবে না জীবনে।
২৪-
আমেরিকান বলল, লাভ ম্যারেজের কথা বলছ। আমার গল্প বলছি, আমি এক বিধবাকে বিয়ে করেছি, যাকে আমি প্রচন্ড ভালবাসি এবং তিনবছর ডেট করেছি তার সাথে। কয়েকবছর পরে আমার বাবা আমার স্টেপ-ডটারের প্রেমে পড়ে, তাই আমার বাবা হল আমার সন-ইন-ল, আমি হলাম আমার বাবার শ্বসুর। আমার মেয়ে হল আমার মা, বউ দাদী।
সমস্যা আরও বাড়ল যখন আমার একটা ছেলে হল। আমার ছেলে হল আমার বাবার ভাই তাই আমার চাচা। আরও গুরুতর হল যখন আমার বাবার আরেকটি ছেলে হল। এখন আমার বাবার ছেলে মানে আমার ভাই হল গিয়ে আমার নাতি।
শেষ পর্যন্ত আমি নিজে আমার দাদা এবং নিজের নাতি হলাম। আর তুমি বলতেছ ফ্যামিলি প্রবলেম। গিভ মি এ ব্রেক।
২৫-
ডিয়ার টেকনিক্যাল সাপোর্ট,
গত বৎসর আমি গার্লফ্রেন্ড ৭.০ থেকে ওয়াইফ ১.০ তে আপগ্রেড করেছিলাম। তার কিছুদিনের মাঝেই আমি বুঝতে পারলাম এটি অযাচিত ভাবে একটি চাইল্ড প্রসেসিং শুরু করেছে যা অনেক জায়গা এবং রিসোর্স নিয়ে নিচ্ছে।
শুধু তাই নয়, ওয়াইফ ১.০ ইনষ্টল হওয়ার সাথে সাথে অন্য প্রোগ্রামগুলোর সাথে ইন্টিগ্রেটেড হতে শুরু করেছে এবং বর্তমানে এটি সব ধরনের সিস্টেম একটিভিটি মনিটর করতে শুরু করেছে। ওয়াইফ ১.০ যেসকল প্রোগ্রামের সাথে কনফ্লিক্ট শুরু করেছে তার কয়েকটি- পোকার নাইট ৭.১, ফুটবল ৫.০, হান্টিং এন্ড ফিসিং ৭.৫ এবং গলফিং ৩.৬।
আমি ওয়াইফ ১.০ কে কিছুতেই ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসে পাঠিয়ে আমার প্রিয় এপ্লিকেশনগুলো রান করাতে পারছি না। তাই আমি ঠিক করেছিলাম আমার আগের গার্লফ্রেন্ড ৭.০ তে যাওয়ার ব্যপারে। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য ওয়াইফ ১.০ তে কোনরকম আনইনস্টল প্রসিডিউর নাই। দয়া করে আমাকে উদ্ধার করুন।
ধন্যবাদ
সমস্যাগ্রস্থ গ্রাহক।
–
পরের দিন টেকনিক্যাল সাপোর্ট থেকে জবাব এসে হাজির-
জনাব সমস্যাগ্রস্থ ব্যবহারকারী,
এটা খুবই কমন একটি সমস্যা যেটির বিষয়ে প্রায়ই লোকজন অভিযোগ করে থাকে। বেশীরভাগ লোকই গার্লফ্রেন্ড ৭.০ থেকে ওয়াইফ ১.০ তে আপগ্রেড করে এটিকে একটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ভেবে যা তাদের এন্টারটেইনমেন্টের জন্য কাজে আসবে। কিন্তু আসল সত্যটা হচ্ছে ওয়াইফ ১.০ একটি অপারেটিং সিস্টেম যা ডিজাইন করাই হয়েছে সবকিছুর নিয়ন্ত্রন ভার নিজের কাছে নিয়ে নেয়ার মত করে। এবং এটিকে ডিলিট করার কোন উপায় নেই… এমনকি আনইষ্টল করারও কোন ব্যবস্থা নেই। এটি একবার যেখানে সেটাপ হয়ে যায় সেখানের সমস্ত সিষ্টেম ও প্রোগ্রাম ফাইলকে সরিয়ে জাঁকিয়ে হয়ে বসে। যাকে বলা যেতে পারে উড়ে এসে জুড়ে বসা!
আপনাকে আমরা দুঃখের সাথে জানাতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনি ওয়াইফ ১.০ থেকে আর কোনদিনই গার্লফ্রেন্ড ৭.০ তে ফেরত যেতে পারবেন না… কারন এটি আপনাকে তা করতে দিবে না। আপনি দয়া করে ওয়াইফ ১.০ এর সাথে দেয়া সতর্কতাবাণী-মেইনটেনেন্স/চাইল্ড সাপোর্ট ম্যানুয়্যালটা পড়ে নিবেন। আপনার জন্য আমাদের পরামর্শ হলো আপনি ওয়াইফ ১.০ তেই থাকুন এবং চেষ্টা করুন পরিস্থিতি কিভাবে উন্নতি করা যায়। আমরা আপনাকে আরো উপদেশ দেব একটি ব্যাকগ্রাউন্ড এপ্লিকেশন সেটাপ করে নেয়ার ব্যপারে যা এটির যেকোন আর্গুমেন্টে “ইয়েস ডিয়ার” রিটার্ন করবে।
এটি নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য আপনি সবসময়ই প্রথমে C:\APOLOGIZE! কমান্ডটি ব্যবহার করবেন। কারন শেষ পর্যন্ত আপনাকে ‘APOLOGIZE’ কমান্ডটাই ব্যবহার করতে হবে সিষ্টেম স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরত আনার জন্য।
তবে আমরা আপনাকে পুরোপুরি নিরাশ করতে চাই না..। বস্তুত ওয়াইফ ১.০ একটি চমৎকার প্রোগ্রাম কিন্তু এটিকে অনেক যত্নের সাথে রাখতে হয়। ওয়াইফ ১.০ অবশ্য বেশ কিছু সাপোর্ট প্রোগ্রাম সহকারে সেটাপ হয়ে থাকে, যেমন ক্লিন এন্ড সুইপ ৩.০, কুক ইট ১.৫ এবং ডু বিল ৪.২।
তবে এসব প্রোগ্রাম ব্যবহারের সময় আপনাকে খুবই সচেতন থাকতে হবে। কারন এই প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে গিয়ে একটু উনিশ বিশ হলেই কিছু থার্ড পার্টি প্রোগ্রাম ‘ক্যাট ক্যাট ১.৯’, ‘কাউ কাউ ৪.৯’ এক্সিকিউটেড হয়ে যাবে। আর একবার যদি তা হয়ে যায়.. তাহলেই সারছে! সিষ্টেমের বারোটা বেজে যাবে। তখন সিষ্টেমের আগের পারফরমেন্স ফেরত আনতে আপনাকে আরো বেশ কিছু ইউটিলিটি টুল কিনতে হবে। আমরা এক্ষেত্র আপনাকে ফ্লাওয়ার ২.১ ও ডায়মন্ড ৫.০ কেনার পরামর্শ দেব।
বিশেষ সতর্কতা: কোন রকমেই.. কোন অবস্থাতেই কোনরকম স্যাক্রেটারী উইথ শর্ট স্কার্ট ৩.৩ সেটাপ করতে যাবেন না। এই ধরনের এপ্লিকেশগুলো ওয়াইফ ১.০ এর সাথে একদমই ম্যাচ করে না এমনকি ফাইবার অপটিক লাইন কেটে গেলেও ৯০০ মেগাবাইট সাইজের অশান্তি ৯.৯ মূহুর্তের মাঝেই ডাউনলোড করে সিষ্টেমে বড় ধরনের ড্যামেজ করে দিতে পারে। বুইঝেন কিন্তু….
২৬-
মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে :- কেন?
মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে।
২৭-প্রস্তাবে রাজী আছেন কিনা
এক ছেলে, তার প্রিয়তমার বাবার কাছে প্রস্তাব দিলো যে সে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। মেয়েটার বাবা জিজ্ঞেস করলো,
: আচ্ছা তুমি কি মদ খাও? জুয়া খেলো?
: আংকেল, ওসব পরে হবে, আগে বলুন আপনি প্রস্তাবে রাজী আছেন কিনা!
২৮-বিয়ে
জাদরেল উকিল -আপনি বিয়ে করেছেন তো
-আজ্ঞে হ্যা করেছি ।
-কাকে বিয়ে করছেন ?
- এক…একজন মেয়েকে
- রাবিস সেটাও বলতে হয়। কখনো শুনেছো কেউ কোন ছেলেকে বিয়ে করেছে শুনেছো?
- আজ্ঞে হ্যা আমার বোন করেছে ।
২৯-জীবনেও বিয়ে করব না
জজ সাহেবঃ যখন এই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল তখন কি তুমি সেখানে উপস্থিত ছিলে?
সাক্ষীঃ জী হ্যাঁ।
জজ সাহেবঃ তোমার এই ঝগড়া থেকে কি ধারনা হলো?
সাক্ষীঃ হুজুর আমি জীবনেও বিয়ে করব না
30পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ
চল্লিশ বছর পার হয়ে গেছে তবু বিয়ে করেনি এক লোক। একদিন একজন এর কারণ জিজ্ঞেস করল।
লোকটি বলল, সারা জীবন আমি একটা পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ করছিলাম।
–তা একটিও পান নি?
–পেয়েছিলাম একটি, কিন্তু সে আবার একটা পারফেক্ট ছেলের অপেক্ষায় ছিল।
: কী রকম?
: বিয়ের আগে সে বলেছিল, তার বয়স ৯০, স্বাস্থ্য খারাপ আর সে কোটিপতি।
: সে কি কোটিপতি নয়?
: অবশ্যই কোটিপতি কিন্তু বয়স ৬০ এবং স্বাস্থ্য যথেষ্ট ভালো।
২-
পানি খেতে ইচ্ছে করছে না তো
বিবাহে প্রবল অনিচ্ছুক এক লোককে বলা হলো:সারাটা জীবন একা একাই কাটাবে? ভেবে দ্যাখো, তুমি যখন মরণশয্যায়, তখন তোমার মুখে পানি দেওয়ার মতো কেউ থাকবে না।
কোনো প্রতিযুক্তি দেখাতে না পেরে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেল লোকটা।
অনেক বছর পরের কথা। দীর্ঘ সংসারজীবন যাপনের পর লোকটি বৃদ্ধ অবস্থায় শুয়ে আছে মৃত্যুর অপেক্ষায়। তাকে ঘিরে আছে তার স্ত্রী, পুত্র-কন্যা। শুয়ে শুয়ে সে ভাবছে:
কেন যে বিয়ে করেছিলাম! পানি খেতে ইচ্ছে করছে না তো!
৩-বিয়ের কঠিন সময়
একটি মেয়ের সবেমাত্র বাগদান হয়েছে।
তাঁর অফিসের এক বিবাহিত মহিলা এলেন তাঁকে উপদেশ দিতে।
শোনো, বিয়ের পর প্রথম ১০ বছরই সবচেয়ে কঠিন।
মহিলা বললেন, আপনার বিয়ে হয়েছে কত দিন?
৪-
বিয়ের আগে বাঘ
বনের ভেতর এক বাঘের বিয়ে। সেই খুশিতে বনের সব পশুই নাচ-গান শুরু করেছে। বনের এক কোণায় একটা গাধার নাচ দেখে এক বাঁদর তাকে জিজ্ঞেস করলো, ‘আরে গাধা ভাই, তুমি অযথা নাচছো কেন?’গাধা রেগে বলল, ‘এই বনে আজ আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ে। আমি নাচবো না তো নাচবেটা কে, শুনি?’
বাঁদর আবারও প্রশ্ন করল, ‘বাঘ আবার কবে থেকে তোমার ভাই হলো?’
‘আরে বাঁদর, বিয়ের আগে আমিও বাঘ ছিলাম। বাঘের ক্ষেত্রেও তো একই ঘটনা ঘটবে। তাহলে সে তো আমার ভাই-ই হবে, নাকি?’—গাধার উত্তর।
৫-বিয়ের প্রস্তাব
বুনো পশ্চিম। এক মেয়ে বলছে তার মাকে, মা, ডার্টি বিলি আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে।
—সে তোমাকে সরাসরি বলেছে এ কথা? মা প্রশ্ন করলেন।
—না, তা বলেনি, তবে ইঙ্গিত দিয়েছে। নিজের বউকে সে ইতিমধ্যে গুলি করে মেরে ফেলেছে।
৬-বিয়ে হয়ে গেছে
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
প্রথম বন্ধু: জানিস, আমার আর লিজার বিয়ে হয়ে গেছে।
দ্বিতীয় বন্ধু: তাই নাকি রে! আগে তো বলিসনি। এত দিন প্রেম করলি। তা কবে তোদের বিয়ে হলো?
প্রথম বন্ধু: আমার বিয়েটা হয়েছে এ মাসের ১৬ তারিখ। আর লিজার ২৫ তারিখ।
৭-ই-মেইলে বিয়ে
এক মার্কিন ও এক ভারতীয়র মধ্যে বিয়ে নিয়ে কথা হচ্ছে—
মার্কিন: জানো, আমাদের দেশে বিয়ে ই-মেইলে হয়।
ভারতীয়: বাহ্, খুব ভালো তো। কিন্তু আমাদের দেশে বিয়েটা শুধু ফিমেলের (নারী) সঙ্গেই হয়।
৮-
আপনার বোন মানে আমারও বোন
বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে হাবলু যখন তার নতুন বউ নিয়ে বাসায় ফিরছিল, তখন বউয়ের বড় ভাই কাঁদতে কাঁদতে হাবলুকে বললেন, ‘ভাই, আমার বোনটার দিকে একটু খেয়াল রেখো।’বউয়ের বড় ভাইয়ের কান্না দেখে হাবলুও কেঁদে কেঁদে বলল, ‘ভাই, আপনি কোনো চিন্তা করবেন না। আপনি তো আমার বড় ভাইয়ের মতো। আপনার বোন মানে আমারও বোন। ও খুব ভালোই থাকবে।’
৯-
বর কেন কালো পোশাক পরেছে
একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মায়ের সঙ্গে বিয়ে দেখতে গেছে বিল্টু। বিয়ে দেখতে দেখতে বউয়ের দিকে তাকিয়ে বিল্টু তার মাকে জিজ্ঞেস করল, ‘আচ্ছা মা, বউ সাদা পোশাক পরে বসে আছে কেন?’মা বিল্টুকে বললেন, ‘সাদা পোশাক হচ্ছে সুখের প্রতীক, আর আজ বউয়ের জীবনের সবচেয়ে সুখের দিন, তাই সে সাদা পোশাক পরেছে।’
একটু ভেবে বিল্টু আবারও তার মাকে জিজ্ঞেস করল, ‘হুমম বুঝলাম। কিন্তু বর কেন কালো পোশাক পরেছে?’
১০-ঘটা করে বিয়ে আর প্রেম করে বিয়ের মধ্যে পার্থক্য
দুই বন্ধু রঞ্জু আর সঞ্জুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
রঞ্জু: বল তো, ঘটা করে বিয়ে আর প্রেম করে বিয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?
সঞ্জু: এটা তো খুবই সোজা।
রঞ্জু: আহা বল না।
সঞ্জু: শোন, পার্থক্যটা খুবই সাধারণ। প্রেম করে বিয়ে করলে নিজের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে হয়, আর ঘটা করে বিয়েতে অন্যের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে হয়।
১১-
স্ত্রী হারিয়ে গেছে
বাজার করার মাঝখানে স্ত্রী রাগ করে চলে গেছে। কিছুতেই তাকে আর খুঁজে পাচ্ছে না তপু। অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্ত্রীকে না পেয়ে তপু এক মহিলার হাত ধরে অনুনয়-বিনয় করে বলল, ‘দয়া করে কিছুক্ষণের জন্য আমার সঙ্গে একটু কথা বলবেন?’মহিলাটি রেগে বললেন, ‘চিনি না, জানি না, আপনার সঙ্গে কথা বলব কেন?’
তপু ভদ্রভাবে মহিলাকে বলল, ‘বাজারের মধ্যে আমার স্ত্রী হারিয়ে গেছে তো!’
মহিলা এবার রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে বললেন, ‘আপনি তো আচ্ছা মানুষ দেখছি। আপনার স্ত্রী হারিয়েছে, তাতে আমার সঙ্গে কথা বলার কী সম্পর্ক?’
‘না মানে, অন্য কোনো মহিলার সঙ্গে কথা বলতে দেখলেই আমার স্ত্রী রেগে আবারও আমার কাছে ফিরে আসবে কি না!’
১২-সাহস
: বিশ্বাস করবে না হয়তে। কিন্তু সত্যি বলছি কাজী সাহেব যখন বিয়ের কলেমা পড়াচ্ছিলেন তখনই সাবের মজলিশ থেকে ছুটে পালিয়ে গেল।
: কেন, শেষ মুহুর্তে সাহস হারিয়ে ফেলেছিল বুঝি?
: না, সাহস ফিরে পেয়েছিল।
১৩-
দাম্পত্য জীবনে সুখী
এক ভদ্রলোককে তাঁর এক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, দাম্পত্য জীবনে তুমি কি সুখী?এ কথা শুনেই ওই ভদ্রলোক নিজেকে সুখী দম্পতি হিসেবে দাবি করে বলেছিলেন, ‘আমরা সপ্তাহে দুই দিন নিয়ম করেই রেস্তোরাঁয় যাই। সেখানে রাতের খাবারের পর গান শুনে হাঁটতে হাঁটতে বাসায় ফিরি। বল এটা কি সুখী দম্পতির বৈশিষ্ট্য নয়?’
বন্ধুটি কৌতুহল নিয়ে বললেন, ‘তা তোমরা কবে কবে রেস্তোরাঁয় যাও?’
‘আমি রেস্তোরাঁয় যাই বুধবার আর আমার স্ত্রী যায় শুক্রবার’—ভদ্রলোকের জবাব।
১৪-
টেলিভিশনকে বিয়ে
কফির দোকানে এক তরুণী বান্ধবীদের সঙ্গে আড্ডায় বসেছেন। সবাই বিয়ে নিয়ে কথা বলছেন।ওই তরুণী বললেন, ‘আমি যে পুরুষকে বিয়ে করব, তাকে অবশ্যই একটি বড় প্রতিষ্ঠানের কেউ হতে হবে। তাকে গান জানতে হবে, মজার মজার গল্প জানতে হবে এবং অবশ্যই রাতে বাসায় থাকতে হবে।’
এ কথা শুনেই পাশ থেকে এক বান্ধবী ফোড়ন কাটলেন, ‘তুমি একটা টেলিভিশনকেই বিয়ে করে ফেল না কেন!’
১৫-
নির্বোধ প্রাণী
জনৈক পশুপ্রেমিক একদিন পথ রোধ করে দাঁড়াল খুব দামি ফার কোট পরিহিত এক মহিলার। সে চিৎকার করে বলতে লাগল-তোমার লজ্জা হয় না এই ফার কোট পরতে? তুমি জান না তোমার গায়ে এই কোটটা চাপানোর জন্য একটা নির্বোধ প্রাণীকে কত কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে?‘আর আমি? আমার দিকটা কেউ ভাবে না ! আমাকে যে এটা বাগানোর জন্য ওই নির্বোধটার সঙ্গে দুই মাস একনাগাড়ে ডেট করতে হয়েছে …’ মহিলাটিও চিৎকার করে আত্মপক্ষ সমর্থন করল।
১৬-
বিয়ের চিন্তা ত্যাগ
: শোন, আমাকে বিয়ে করতে হলে তোমাকে কিছু জিনিস ত্যাগ করতে হবে ।: যেমন ?
: এই ধর রোজ সন্ধ্যার পর ক্লাবে যাওয়া বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে অহেতুক আড্ডা, সিগারেট খাওয়া, রাতে নাক ডাকা, বোকার মতো টাকা খরচ করা, খামাখা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া …কী পারবে এসব ত্যাগ করতে?
: দেখি ভেবে দেখতে হবে।
পরদিন আবার দু’জনের দেখা।
: কী ভেবেছ ?
: আসলে একবারে তো আর সব কিছু ত্যাগ করা যায় না … একটু একটু করে আর কি। যেমন প্রথমত একটা জিনিস ত্যাগ করেছি।
: কী ?
: ইয়ে মানে…আপাতত বিয়ের চিন্তাটা।
১৭-দিনগুলো ছিল বড় সুখের
দুই বন্ধু গল্প করছে।
: বিয়ের পরের দিনগুলো ছিল বড় সুখের।
: কী রকম?
: অফিস থেকে বাড়ি ফিরতেই আমার ছোট কুকুরটা চেঁচামেচি জুড়ে দিত আর তার পেছন-পেছন হাসিমুখে আসত আমার স্ত্রী। তার হাতে থাকত আমার চটি-জুতা।
: আর আজকাল?
: আজকাল বাড়ি ফিরলে চটি-জুতো মুখে করে আনে কুকুরটা আর পেছনে চেঁচাতে-চেঁচাতে আসে আমার স্ত্রী।
১৮-বিয়ে ও ডিভোর্সের কারণ
আসাদঃ আমি বিয়ে করলাম কেন, জানিস?
সাগরঃ কেন রে?
আসাদঃ আরে! রান্নাবান্না, জামাকাপড় কাচা, বাড়িঘর পরিষ্কার করা, বাজার করা···উফ! এত কাজ আর একলা করতে পারছিলাম না, তাই বিয়ে করে নিলাম।
সাগরঃ দারুণ! তুই কি জানিস এই একই কারণে আমার ডিভোর্স হয়েছে?
১৯-কাকে বিয়ে করেছেন
দুই ব্যক্তির মধ্যে কথা হচ্ছে-
১ম ব্যক্তিঃ ভাই, আপনি বিয়ে করেছেন?
২য় ব্যক্তিঃ হ্যাঁ।
১ম ব্যক্তিঃ কাকে?
২য় ব্যক্তিঃ একটা মেয়েকে।
১ম ব্যক্তিঃ কেউ কি ছেলেকে বিয়ে করে?
২য় ব্যক্তিঃ হ্যাঁ, করে। গত বছর আমার বোন একটা ছেলেকে বিয়ে করেছিল।
২০-বিয়েটা কেমন
১ম বন্ধুঃ বিয়েটা কেমন জানিস?
২য় বন্ধুঃ নাহ্, কেমন?
১ম বন্ধুঃ এটা হচ্ছে ধর, রেস্টুরেন্টে গিয়ে তুই অর্ডার দিবি একটা খাবার, ওটা তোর টেবিলেও আসবে। কিন্তু ওটা মুখে দিয়েই তোর নজর চলে যাবে পাশের টেবিলের ভদ্রলোকের প্লেটের দিকে। তোর শুধু মনে হতে থাকবে, ওটাই তোর অর্ডার দেওয়া উচিত ছিল।
২১-
ভালোবাসা বিষয়ক কয়েকটি কথোপকথন
: আমি কি এতই ভালো যে, প্রতিদিন তুমি প্রার্থনা করো, সবাই যেন আমার মতো একজন প্রেমিকা পায়···?: অবশ্যই, কারণ একা আমিই কেন ভুক্তভোগী হতে যাব।
: আচ্ছা, তুমি কি এই ভ্যালেন্টাইনস ডেতে আমাকে এনগেজমেন্টের আগেই একটা রিং দেবে?
: অবশ্যই। তোমার ফোন নম্বরটা দাও, আমি প্রতিদিনই একটা করে রিং দেব।
: আমি স্বপ্ন দেখলাম, তুমি ভ্যালেন্টাইনস ডেতে আমাকে একটা হীরের নেকলেস দিচ্ছ। তুমি কি আমাকে কোনো গিফট দেবে?
: অবশ্যই। তোমাকে স্বপ্নের মানে জানার জন্য একটা ‘খাবনামা’ দেব।
: আচ্ছা, তুমি কি আমাকেই প্রথম ভালোবাসার কথা বলেছ?
: অবশ্যই। আচ্ছা, বল তো তোমরা সব ছেলেই এই কথাটা বলো কেন?
: এই শোন, ভ্যালেন্টাইনস ডেতে কথা দাও, আজ থেকে তুমি আমার আত্মীয়দের ভালোবাসবে।
: অবশ্যই। দেখ, ইন ফ্যাক্ট আমি কিন্তু তোমার শাশুড়িকে আমার শাশুড়ির চেয়ে বেশি ভালোবাসি।
: প্রথমে এনগেজমেন্ট রিং, তারপর ওয়েডিং রিং, তারপর কী?
: তারপর অবশ্যই সাফারিং।
গুরু
২২-
ভালোবাসা, বিয়ে, অতঃপর···
– একজন সফল পুরুষ হচ্ছেন তিনি যিনি তাঁর স্ত্রী যতটা খরচ করতে পারেন তাঁর থেকে বেশি রোজগার করতে পারেন। আর একজন সফল নারী হচ্ছেন তিনি যিনি এমন একজন সফল পুরুষ খুঁজে বের করতে পারেন।– যখন কোনো নববিবাহিত দম্পতি হাসে তখন সবাই বোঝে-কেন?
আর যখন ১০ বছরের পুরোনো দম্পতি হাসে তখন সবাই ভাবে-কেন?
– মেয়েদের সম্পর্কে বিবাহিতদের চেয়ে ব্যাচেলররাই বেশি জানে। যদি না-ই জানত তাহলে সে আর ব্যাচেলর থাকত না।
– একটি শান্তিপূর্ণ বিবাহিত জীবনের অন্যতম শর্ত হচ্ছে বারবার প্রেমে পড়া। কিন্তু অবশ্যই তা কেবল নিজের স্ত্রীর প্রেমে।
– এক ভদ্রলোক খুব গর্ব করে নিজের স্ত্রীর কথা বলছেন, ‘জানিস, যতই ঝগড়া হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত আমার স্ত্রী আমার কথাই মেনে নেয়।’ অন্য ভদ্রলোক বেশ বিমর্ষভাবে বললেন, ‘তুই তো তাহলে অনেক ভাগ্যবান। তা কেমন করে এমন অসাধ্য সাধন করিস?’ এবার প্রথম ভদ্রলোক বললেন, ‘ঝগড়ার শেষে আমি বলি, সব দোষ আমার। আর ও অকপটে আমার কথা মেনে নেয়।’
– ভালোবাসা অন্ধ। আর ‘বিয়ে’ ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে যাওয়া চোখ সহজেই খুলে দেয়। কাজেই অন্ধ চোখ খুলতে শিগগিরই বিয়ে করুন।
– বিয়ে হচ্ছে দুজন মানুষের মধ্যকার এমন এক সম্পর্ক যেখানে একজন সদা সর্বদা সঠিক আর অন্যজন হচ্ছে স্বামী।
– স্বামী তার স্ত্রীকে বলছে, ‘তুমি বিয়ের আংটি ভুল আঙ্গুলে পরেছ কেন?’ জবাবে স্ত্রী বলল, ‘কারণ আমি ভুল মানুষকে বিয়ে করেছি।’
– যখন কোনো স্বামী তার স্ত্রীর জন্য গাড়ির দরজা খুলে দেয় তখন এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়, হয় গাড়িটি নতুন না হয় স্ত্রী!
– বিয়ের আগে প্রেমিকা কী বলেছিল তাই ভাবতে ভাবতে সারা রাত নিঘুêম কেটে যেত।
আর বিয়ের পর স্ত্রী কী বলছে তা শেষ করার আগেই ঘুম চলে আসে।
– অবিবাহিতদের ট্যাক্স বেশি দেওয়া উচিত, কারণ তারা বিবাহিতদের চেয়ে উন্নততর জীবন যাপন করে।
– স্বামী-স্ত্রী দুজন একটি ইচ্ছাপূরণ নদীর সামনে এসে দাঁড়াল। প্রথমে স্ত্রী মনে মনে কিছু একটা চাইল। তারপর একটি পাঁচ টাকার কয়েন পানিতে ফেলে দিল। পরে তার স্বামী কয়েন ফেলতে গিয়ে পা পিছলে নিজেই পানিতে পড়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রী চিৎকার দিয়ে বলল, ‘ওয়াও! এখানে দেখি সত্যি সত্যি ইচ্ছা পূরণ হয়!!’
– মাতৃভাষা বলা হয় কিন্তু পিতৃভাষা কেন বলা হয় না জানেন? কারণ পিতা কদাচিৎই কথা বলার সুযোগ পায়।
– আপনি যতই চাকরি বদলান না কেন, শেষ দিন পর্যন্ত আপনাকে আসলে একই বসের অধীনে কাজ করতে হয়। বুঝতে পারছেন তো?
– স্বামী তার রাগান্বিত স্ত্রীকে বলছে, ‘আমাকে অপবাদ দিয়ো না! আমি তোমার আত্মীয়দের অবহেলা করি-এ কথা একদম ঠিক না। যেমন ধরো, তোমার শাশুড়ি, তাকে তো আমি আমার নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসি।’
– লটারির প্রথম পুরস্কার জিতে স্ত্রী স্বামীকে বলল, ‘তোমার কাপড়চোপড় প্যাক করো।’ স্বামী খুশি খুশি মনে বলল, ‘কোথায় ঘুরতে যাবে, শীতের কাপড় বেশি নেব নাকি গরমের?’ স্ত্রী ধমক দিয়ে বলল, ‘সব কাপড় প্যাক করো, আমি কোথাও যাব না; তোমার সব কাপড়চোপড় নিয়ে তুমি ভাগো।’
– মহা ভুল করার পরও কখন মানুষ অভিনন্দন পায় জানেন? যখন সে বিয়ে করে।
– পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট বই কোনটি জানেন? সেই বইয়ের নাম হচ্ছে-ছেলেরা মেয়েদের যতটা চেনে।
– আপনি আপনার মনের কথা অকপটে বলতে পারবেন, আপনার স্ত্রী আপনার কথার মধ্যে কোনো প্রকারের ডিস্টার্ব করবে না-এমন সুযোগ চান? তাহলে উনি ঘুমালে আপনার যা বলার বলুন।
– বিয়ের আগে ছেলেরা পূর্ণতা পায় না, অসমাপ্ত থাকে, আর বিয়ের পর পুরোপুরি সমাপ্ত হয়ে যায়।
২৩-হাসার সুযোগ
মেয়ের বিয়ের জন্য ছেলে দেখছেন মা-বাবা।
মা : দেখ, ছেলেটির যত গুণই তুমি দেখ, ওর মাঢ়ীটা কিন্তু ভালোনা। হাসলে কালো মাঢ়ীটা বেরিয়ে কেমন বিশ্রী দেখায়।
বাবা : সে জন্য ভেব না। তোমার মেয়েকে বিয়ে করলে এই ছেলে হাসার কোন সুযোগই পাবে না জীবনে।
২৪-
ফ্যামিলি প্রবলেম
এক বাংলাদেশী আর এক আমেরিকান বারে বসে একটার পর একটা মাল খেয়ে যাচ্ছে আর গল্প করছে। বাংলাদেশী বলল, জানিস আমার বাবা-মা আমার জন্যে গ্রামের একটা মেয়েকে ঠিক করেছে। একে বলে এরেঞ্জড ম্যারেজ। আমি কখনও তাকে দেখিনি। আমি এমন কাউকে বিয়ে করতে চাইনা যাকে আমি ভালবাসি না। আমি খোলাখুলি তাদের এসব বলে দিয়েছি, এখন ভয়াবহ ফ্যামিলি প্রব্লেমের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।আমেরিকান বলল, লাভ ম্যারেজের কথা বলছ। আমার গল্প বলছি, আমি এক বিধবাকে বিয়ে করেছি, যাকে আমি প্রচন্ড ভালবাসি এবং তিনবছর ডেট করেছি তার সাথে। কয়েকবছর পরে আমার বাবা আমার স্টেপ-ডটারের প্রেমে পড়ে, তাই আমার বাবা হল আমার সন-ইন-ল, আমি হলাম আমার বাবার শ্বসুর। আমার মেয়ে হল আমার মা, বউ দাদী।
সমস্যা আরও বাড়ল যখন আমার একটা ছেলে হল। আমার ছেলে হল আমার বাবার ভাই তাই আমার চাচা। আরও গুরুতর হল যখন আমার বাবার আরেকটি ছেলে হল। এখন আমার বাবার ছেলে মানে আমার ভাই হল গিয়ে আমার নাতি।
শেষ পর্যন্ত আমি নিজে আমার দাদা এবং নিজের নাতি হলাম। আর তুমি বলতেছ ফ্যামিলি প্রবলেম। গিভ মি এ ব্রেক।
২৫-
টেকনিক্যাল সাপোর্ট
এক ব্যক্তি টেকনিক্যাল সাপোর্টে চিঠি লিখেছে-ডিয়ার টেকনিক্যাল সাপোর্ট,
গত বৎসর আমি গার্লফ্রেন্ড ৭.০ থেকে ওয়াইফ ১.০ তে আপগ্রেড করেছিলাম। তার কিছুদিনের মাঝেই আমি বুঝতে পারলাম এটি অযাচিত ভাবে একটি চাইল্ড প্রসেসিং শুরু করেছে যা অনেক জায়গা এবং রিসোর্স নিয়ে নিচ্ছে।
শুধু তাই নয়, ওয়াইফ ১.০ ইনষ্টল হওয়ার সাথে সাথে অন্য প্রোগ্রামগুলোর সাথে ইন্টিগ্রেটেড হতে শুরু করেছে এবং বর্তমানে এটি সব ধরনের সিস্টেম একটিভিটি মনিটর করতে শুরু করেছে। ওয়াইফ ১.০ যেসকল প্রোগ্রামের সাথে কনফ্লিক্ট শুরু করেছে তার কয়েকটি- পোকার নাইট ৭.১, ফুটবল ৫.০, হান্টিং এন্ড ফিসিং ৭.৫ এবং গলফিং ৩.৬।
আমি ওয়াইফ ১.০ কে কিছুতেই ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসে পাঠিয়ে আমার প্রিয় এপ্লিকেশনগুলো রান করাতে পারছি না। তাই আমি ঠিক করেছিলাম আমার আগের গার্লফ্রেন্ড ৭.০ তে যাওয়ার ব্যপারে। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য ওয়াইফ ১.০ তে কোনরকম আনইনস্টল প্রসিডিউর নাই। দয়া করে আমাকে উদ্ধার করুন।
ধন্যবাদ
সমস্যাগ্রস্থ গ্রাহক।
–
পরের দিন টেকনিক্যাল সাপোর্ট থেকে জবাব এসে হাজির-
জনাব সমস্যাগ্রস্থ ব্যবহারকারী,
এটা খুবই কমন একটি সমস্যা যেটির বিষয়ে প্রায়ই লোকজন অভিযোগ করে থাকে। বেশীরভাগ লোকই গার্লফ্রেন্ড ৭.০ থেকে ওয়াইফ ১.০ তে আপগ্রেড করে এটিকে একটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ভেবে যা তাদের এন্টারটেইনমেন্টের জন্য কাজে আসবে। কিন্তু আসল সত্যটা হচ্ছে ওয়াইফ ১.০ একটি অপারেটিং সিস্টেম যা ডিজাইন করাই হয়েছে সবকিছুর নিয়ন্ত্রন ভার নিজের কাছে নিয়ে নেয়ার মত করে। এবং এটিকে ডিলিট করার কোন উপায় নেই… এমনকি আনইষ্টল করারও কোন ব্যবস্থা নেই। এটি একবার যেখানে সেটাপ হয়ে যায় সেখানের সমস্ত সিষ্টেম ও প্রোগ্রাম ফাইলকে সরিয়ে জাঁকিয়ে হয়ে বসে। যাকে বলা যেতে পারে উড়ে এসে জুড়ে বসা!
আপনাকে আমরা দুঃখের সাথে জানাতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনি ওয়াইফ ১.০ থেকে আর কোনদিনই গার্লফ্রেন্ড ৭.০ তে ফেরত যেতে পারবেন না… কারন এটি আপনাকে তা করতে দিবে না। আপনি দয়া করে ওয়াইফ ১.০ এর সাথে দেয়া সতর্কতাবাণী-মেইনটেনেন্স/চাইল্ড সাপোর্ট ম্যানুয়্যালটা পড়ে নিবেন। আপনার জন্য আমাদের পরামর্শ হলো আপনি ওয়াইফ ১.০ তেই থাকুন এবং চেষ্টা করুন পরিস্থিতি কিভাবে উন্নতি করা যায়। আমরা আপনাকে আরো উপদেশ দেব একটি ব্যাকগ্রাউন্ড এপ্লিকেশন সেটাপ করে নেয়ার ব্যপারে যা এটির যেকোন আর্গুমেন্টে “ইয়েস ডিয়ার” রিটার্ন করবে।
এটি নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য আপনি সবসময়ই প্রথমে C:\APOLOGIZE! কমান্ডটি ব্যবহার করবেন। কারন শেষ পর্যন্ত আপনাকে ‘APOLOGIZE’ কমান্ডটাই ব্যবহার করতে হবে সিষ্টেম স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরত আনার জন্য।
তবে আমরা আপনাকে পুরোপুরি নিরাশ করতে চাই না..। বস্তুত ওয়াইফ ১.০ একটি চমৎকার প্রোগ্রাম কিন্তু এটিকে অনেক যত্নের সাথে রাখতে হয়। ওয়াইফ ১.০ অবশ্য বেশ কিছু সাপোর্ট প্রোগ্রাম সহকারে সেটাপ হয়ে থাকে, যেমন ক্লিন এন্ড সুইপ ৩.০, কুক ইট ১.৫ এবং ডু বিল ৪.২।
তবে এসব প্রোগ্রাম ব্যবহারের সময় আপনাকে খুবই সচেতন থাকতে হবে। কারন এই প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে গিয়ে একটু উনিশ বিশ হলেই কিছু থার্ড পার্টি প্রোগ্রাম ‘ক্যাট ক্যাট ১.৯’, ‘কাউ কাউ ৪.৯’ এক্সিকিউটেড হয়ে যাবে। আর একবার যদি তা হয়ে যায়.. তাহলেই সারছে! সিষ্টেমের বারোটা বেজে যাবে। তখন সিষ্টেমের আগের পারফরমেন্স ফেরত আনতে আপনাকে আরো বেশ কিছু ইউটিলিটি টুল কিনতে হবে। আমরা এক্ষেত্র আপনাকে ফ্লাওয়ার ২.১ ও ডায়মন্ড ৫.০ কেনার পরামর্শ দেব।
বিশেষ সতর্কতা: কোন রকমেই.. কোন অবস্থাতেই কোনরকম স্যাক্রেটারী উইথ শর্ট স্কার্ট ৩.৩ সেটাপ করতে যাবেন না। এই ধরনের এপ্লিকেশগুলো ওয়াইফ ১.০ এর সাথে একদমই ম্যাচ করে না এমনকি ফাইবার অপটিক লাইন কেটে গেলেও ৯০০ মেগাবাইট সাইজের অশান্তি ৯.৯ মূহুর্তের মাঝেই ডাউনলোড করে সিষ্টেমে বড় ধরনের ড্যামেজ করে দিতে পারে। বুইঝেন কিন্তু….
২৬-
কোন গাধাই বিয়ে করবেনা
প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে। ছেলেটা বলল, আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না । খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে।মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে :- কেন?
মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে।
২৭-প্রস্তাবে রাজী আছেন কিনা
এক ছেলে, তার প্রিয়তমার বাবার কাছে প্রস্তাব দিলো যে সে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। মেয়েটার বাবা জিজ্ঞেস করলো,
: আচ্ছা তুমি কি মদ খাও? জুয়া খেলো?
: আংকেল, ওসব পরে হবে, আগে বলুন আপনি প্রস্তাবে রাজী আছেন কিনা!
২৮-বিয়ে
জাদরেল উকিল -আপনি বিয়ে করেছেন তো
-আজ্ঞে হ্যা করেছি ।
-কাকে বিয়ে করছেন ?
- এক…একজন মেয়েকে
- রাবিস সেটাও বলতে হয়। কখনো শুনেছো কেউ কোন ছেলেকে বিয়ে করেছে শুনেছো?
- আজ্ঞে হ্যা আমার বোন করেছে ।
২৯-জীবনেও বিয়ে করব না
জজ সাহেবঃ যখন এই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল তখন কি তুমি সেখানে উপস্থিত ছিলে?
সাক্ষীঃ জী হ্যাঁ।
জজ সাহেবঃ তোমার এই ঝগড়া থেকে কি ধারনা হলো?
সাক্ষীঃ হুজুর আমি জীবনেও বিয়ে করব না
30পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ
চল্লিশ বছর পার হয়ে গেছে তবু বিয়ে করেনি এক লোক। একদিন একজন এর কারণ জিজ্ঞেস করল।
লোকটি বলল, সারা জীবন আমি একটা পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ করছিলাম।
–তা একটিও পান নি?
–পেয়েছিলাম একটি, কিন্তু সে আবার একটা পারফেক্ট ছেলের অপেক্ষায় ছিল।